নিজস্ব সংবাদদাতা : Shoaib Akhtar ২২ গজে তাঁর পরিচয় রাওয়াল পিন্ডি এক্সপ্রেস নামে। নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রাক্তন পাক পেসার শোয়েব আখতারের সেই বিধ্বংসী বোলিংয়ের কথা। শোয়েব এখন খেলা থেকে বহু দূরে। তবুও বিশ্বের ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে আজও তাঁর বোলিং-এর স্মৃতি বিরাজ মান। এবার সেই শোয়েব আখতারের বায়োপিক মুক্তি পেতে চলেছে। এই খবর রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁর ভক্তদের জানিয়েছেন স্বয়ং শোয়েব।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ৪৪৪ টি উইকেটের মালিক শোয়েব লেখেন, ২২ গজের পর আমার জীবনের এক সুন্দর মুহূর্ত শুরু হতে চলেছে। আমার বায়োপিক ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস রানিং এগেনস্ট দ্য অডস’ মুক্তি পেতে চলেছে। জীবনে এই প্রথম সুন্দর অভিজ্ঞতার স্বাক্ষী থাকতে পেরে দারুণ এক অনুভূতি হচ্ছে আমার। যা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। উল্লেখ্য, শোয়েবই একমাত্র প্রথম পাক খেলোয়াড় যাঁর বায়োপিক তৈরি হচ্ছে। সবেশেষে তিনি চিঠিটি শেষ করেন আপনাদের বিতর্কিত শোয়েব আখতার লিখে।
শোয়েবের এই বায়োপিকটি সূত্রের খবর অনুযায়ী মুক্তি পেতে চলেছে আগামী বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর। মহম্মদ ফারাজ কাইজার এই ছবিটি নির্মাণ করেছেন। তবে এখনও এই ছবিতে শোয়েবের ভূমিকায় কাকে দেখা যাবে তা এখনও খোলসা করে জানা যায়নি।
Shoaib Akhtar : ক্রিকেট মাঠের পর এবার পর্দায় শোয়েব
Annu Rani : এবারও ব্যর্থ অন্নু রানি
More News – আসন্ন মরশুমে ম্যান-ইউতে এরিকসেন
ক্রিশ্চিয়ানো এরিকসেন। এই নামটা শুনলেই যেন মনে পড়ে যায় সেই ২০২০ সালের ইউরো কাপের কথা। ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে আচমকাই বুকে ব্যথা নিয়ে মাঠেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন এই ডেনিস ফুটবলার। এরপর আহত এরিকসেনের মাঠে ফেরাই অনিশ্চিত ছিল, কিন্তু সেইসব কিছুকে দূরে সরিয়ে আবার তিনি মাঠে ফিরেছেন। আসন্ন মরশুমে সেই এরিকসেনকেই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দলের জার্সিতে দেখা যাবে। শুক্রবার এই খবর জানান ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কর্তারা।
সূত্রের খবর, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়েছেন এরিক টেন হ্যাগ। দায়িত্ব নিয়েই তিনি শুরু করেছেন দল গোছানোর কাজ। এবার এরিকসেন হলেন তাঁর দলের দ্বিতীয় নতুন সদস্য। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মতো দলের জার্সিতে খেলতে পারার জন্য স্বভাবতই খুশি এই ডেনিস ফুটবলারটি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি ফুটবলারেরই ইচ্ছা থাকে বিশ্বের নামি ক্লাবগুলির জার্সি গায়ে খেলার। ম্যান-ইউ তারমধ্যে অন্যতম। আমি খুব খুশি ঐতিহ্যশালী এই ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পাওয়ার জন্য। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বহুবার খেললেও, রেড ডেভিলসদের ক্লাবে এই প্রথম পা রাখা।